শিবসন্তুর ও সোনাটা সন্তুর যে একটি লোকবাদ্য তা আমরা জানি। যে কোন লোকবাদ্যের কিছু সীমাবদ্ধতা থাকে যা হিন্দুস্থানী রাগ-রাগিনী বাজাবার পক্ষে অন্তরায়। রাগ রূপায়ণে স্বরকে ধরে রাখতে হয়, এক স্বর থেকে আরেক স্বরে গড়িয়ে যেতে হয়। এছাড়াও আছে স্বরের আন্দোলন বা দোদুল্যমান চেহারা, কণ্ স্বর (একটা স্বর বেজে ওঠার আগে চকিতে অন্য কোন স্বরকে ছুঁয়ে আসে) ইত্যাদি। পাশাপাশি শ্রুতির ব্যাপারটা অতি গুরুত্বপূর্ণ। রাগ সঙ্গীতের শ্রোতামাত্রই জানেন যে তোড়ী-র কোমল গান্ধার আর মূলতানি-র কোমল গান্ধারে তফাৎ আছে। সন্তুর বাজাতে হয় হালকা হাতুড়ি দিয়ে তারে আঘাত করে। উৎপন্ন টুং, ডিং, ডং ধরনের স্বরগুলো উৎপন্ন হওয়ার পর ক্ষীণতর হতে হতে মিলিয়ে যায়। স্বরের স্থায়িত্ব সেতার-সরোদের মত নয়, বীণার প্রশ্ন তো আসেই না। কিন্তু সন্তুরের ইউএসপি হলো উৎপন্ন শব্দের টোনাল কোয়ালিটি। কাশ্মীরের মিষ্টত্ব যেন জড়িয়ে আছে সন্তুরের শব্দে! এহেন যন্ত্রে পাহাড়ি ধুন অনায়াসে বাজান যায় কারণ যে কোন অঞ্চলের লোকবাদ্য আসলে ওই অঞ্চলের লোকসুরের স্কেল মিলিয়ে তৈরি হয়েছে। ডুয়ার্সে ভাওয়াইয়া গানের উপযুক্ত যন্ত্র দোৎরা বা দোতারা। এটা তৈরিই হয়েছে ভাওয়াইয়া সুর বাজ...
Comments
Post a Comment